All Public examination Results

‘মাহমুদুল্লাহর প্রেমে পড়েছি …বিবাহ না করলে বিবাহের আবেদন পাঠাতাম’








মাহমুদুল্লাহর প্রেমে পড়েছি আমি…বিবাহ না করলে বিবাহের আবেদন পাঠাতাম।

কিন্তু তার বউ মিষ্টি আমার প্রতিবেশী ছিল। অনেক আদর করতাম, তাই চলে গেলাম…। কিন্তু তুমি আমার ‘পেয়ার’। ‘আই পেয়ার ইউ।’ যেভাবে জানটা লাগায় খেললে দেশের জন্য, স্যালুট ম্যান…মনে মনে তোমাকে পেয়ার করব। পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছ দেখলাম, যত্ন নিও।

আরোও পড়ুন-

সাকিবের আচরণ কি কোনো কৌশল ছিল?

শেষ ওভারে দরকার ১২ রান। আগের ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে মিরাজ রান আউট হয়, স্ট্রাইক হারান মাহমুদউল্লাহ। শেষ ওভারে স্ট্রাইকে এলেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলে কোনো রান হলো না, পরের বলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে আউট মুস্তাফিজ। মুস্তাফিজকে উদানা দুটি ওভার বাউন্সার দিলেও আম্পায়াররা কোনো অতিরিক্তের সংকেত দেয়নি। যার প্রতিবাদে সাকিব আল হাসান নিজেই উত্তেজিত, সঙ্গে অন্যন্য খেলোয়াড়রাও। ম্যাচ রেফারির শরণাপন্ন হয়েও কোনো সুরাহা না পেয়ে মাহমুদউল্লাহদের মাঠ থেকে উঠে আসতে বললেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত খালেদ মাহমুদ সুজনের হস্তক্ষেপে শান্ত হন সাকিব, মাঠে ফিরে যান ব্যাটসম্যানরা।

সাকিবের সময় ক্ষেপণ আর প্রতিবাদের আগুন উস্কে দেওয়ায় দুটি পজেটিভ বিষয় নিয়ে ক্রিজে ফিরে জান রিয়াদ। আতিরিক্ত সময় পাওয়ায় নিজের ওপর থাকা প্রেশার ততক্ষণে নিয়ন্ত্রণ করে নিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আম্পায়ারদের ওই সিদ্ধান্তে সাকিবের প্রতিবাদ, আম্পায়ারদের বঞ্ছনার জবাব দেওয়ার জন্য আরও বেশি উদগ্রীব করে দিয়েছিল রিয়াদকে।

উদানার ওয়াইড লেন্থে করা তৃতীয় বলটি লং অন দিয়ে সীমানার ছাড়া করলেন রিয়াদ, চার রান। পরের বলটি মিড লেগে ঠেলে দিয়ে জীবন বাজি রেখে নিলেন দুই রান। শেষ দুই বলে দরকার ছয়। তখনো গ্যালারিতে লঙ্কান সমর্থকদের উল্লাস। যেন জিততেই পারবে না টাইগাররা। কিন্তু ক্রিজে যে মাহমুদুল্লাহ। এটা হয়তো তাঁরা ভুলে গিয়েছিল। ঠিক তখনই ওভারের পঞ্চম বলটি করলেন উদানা। লেগ স্টাম্পের বলটি সাজোরে লেগে উঠিয়ে দিলেন মাহমুদউল্লাহ, ছয়! স্তব্ধ পুরো স্টেডিয়াম। সেই সঙ্গে বুনো উল্লাসে মেতে উঠলো টাইগাররা। আরও একবার বিশ্ব দেখল টাইগারদের গর্জন। কেপে উঠল লঙ্কা!

এমন বিজয়ের পর সাকিবের সেই আচরণ নিয়ে হয়েছে অনেক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই আবার মনে করেন সাকিবের আচরণ আসলে একটি কৌশল ছিল। ওই ঘটনা ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় জয়ের ওপর প্রভাব তৈরি করেছিল। সাকিবের ওই আচরণ একদিকে যেমন লঙ্কান ক্রিকেটার এবং আম্পায়ারদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে অন্যদিকে রিয়াদকে জয়ের জন্য করেছে আরও বেশি ক্ষুধার্ত। সাকিবের এই প্রতিবাদ এবং সময় ক্ষেপণ ম্যাচের মোমেন্টাম পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে।

প্রথমত, সাকিবের প্রতিবাদে ওই সময় মাহমুদউল্লাহ আরও কিছু সময় পান নিজের ‘মাইন্ড সেট’ আরও দৃঢ় করার। দ্বিতীয়ত, বিরতি লঙ্কান ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের যে গতি এবং চাঞ্চল্য ছিল তাতে ভাটা তৈরি হয়। আর তখনই ম্যাচের মোমেন্টাম হাতছাড়া হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে। আর সবশেষ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাকিবের প্রতিবাদে ভয়-ডরহীন এক বাংলাদেশকে দেখল ক্রিকেট বিশ্ব।

তবে কৌশল হোক বা না হোক, ম্যাচ শেষে জার্সি খুলে মাঠে সাকিব আল হাসান, প্রায় দেড় যুগ আগের লর্ডসের সৌরভ গাঙ্গুলী কে মনে করিয়ে দিয়েছে। সেই জয়ের সুবাদে আজ শিরোপার জন্য ভারতের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ। তাই সকল আলোচনা-সমালোচনা এবং চাপকে পেছনে ফেলে প্রথম শিরোপা জিতুক বাংলাদেশ। আশায় আছে ভক্তরা।

 

Loading...